একটা সময় ছিল যখন দুপুরের খোলা মাঠে পায়ের শব্দে কেঁপে উঠতো মাটি,
যখন গাছতলায় বসে গল্প বলার ফাঁকে শব্দ করে হাসতো কয়েকটা প্রাণবন্ত মুখ,
যখন পুকুরে সাঁতার শেখা মানেই ছিল জীবনের রোমাঞ্চ, আর রঙিন খাতা খুললেই বেরিয়ে আসতো পাখির ছবি, ফুলের আঁচড়।
আজ সেই শৈশব কোথায়?
· আজ শিশুর মুখে হাসি নেই, চোখে দীপ্তি নেই, মনেও মুক্তি নেই।
তার পরিবর্তে রয়েছে —
Ø অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ,
Ø অনলাইন আসক্তি,
Ø অবুঝ প্রতিযোগিতা,
Ø আর এক বিষণ্ণ নিঃশ্বাস, যা বড়রা শুনতে পায় না।
আমরা একটি অদ্ভুত সমাজে বসবাস করছি —
যেখানে শিশুকে মানুষ হিসেবে নয়, বরং "সফলতা প্রকল্প" হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
একটা সময় ছিল যখন দুপুরের খোলা মাঠে পায়ের শব্দে কেঁপে উঠতো মাটি,
যখন গাছতলায় বসে গল্প বলার ফাঁকে শব্দ করে হাসতো কয়েকটা প্রাণবন্ত মুখ,
যখন পুকুরে সাঁতার শেখা মানেই ছিল জীবনের রোমাঞ্চ, আর রঙিন খাতা খুললেই বেরিয়ে আসতো পাখির ছবি, ফুলের আঁচড়।
আজ সেই শৈশব কোথায়?
· আজ শিশুর মুখে হাসি নেই, চোখে দীপ্তি নেই, মনেও মুক্তি নেই।
তার পরিবর্তে রয়েছে —
Ø অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ,
Ø অনলাইন আসক্তি,
Ø অবুঝ প্রতিযোগিতা,
Ø আর এক বিষণ্ণ নিঃশ্বাস, যা বড়রা শুনতে পায় না।
আমরা একটি অদ্ভুত সমাজে বসবাস করছি —
যেখানে শিশুকে মানুষ হিসেবে নয়, বরং "সফলতা প্রকল্প" হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
শৈশবকে আমরা মনে করি সময়ের অপচয়,
অথচ এই শৈশবই হচ্ছে ভবিষ্যতের ব্যক্তিত্ব গঠনের ভিত্তি।
আমাদের সমাজে আজ শিশুর শত্রুরা বহুরূপে হাজির —
শিশুদের কষ্ট কি আমরা বুঝি?
একটা ছয় বছরের শিশু যখন স্কুলব্যাগ নিয়ে কাঁধ বেঁকিয়ে হাঁটে — কেউ জিজ্ঞেস করে না তার কোমর ব্যথা পায় কিনা।
একটা আট বছরের শিশু যখন প্রতিদিন কোচিং থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে—কেউ জানে না তার খেলতে ইচ্ছে করে কিনা।